সম্প্রতি আপডেট

Friday, May 3, 2019

বাঁশখালী উপকূলীয় অঞ্চলে গভীর রাতে আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে ইউএনও মোমেনা আক্তার ||বাঁশখালীজনপদ||


বাঁশখালী উপকূলীয় অঞ্চলে গভীর রাতে আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে ইউএনও মোমেনা আক্তার ||বাঁশখালীজনপদ||
জনপদ প্রতিবেদনঃ বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী এলাকায় বিভিন্ন খবরাখবর নিতে ছুটে যাচ্ছেন বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোমেনা আক্তার। অাজ মধ্য রাতে ঘূর্ণিঝড় প্রবল বেগে আঘাত হানার আশংকা রয়েছে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে। এ নিয়ে যে কোন প্রতিকূল পরিস্থিতি এড়াতে বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। উপজেলার ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কমিটি, প্রাকৃতিক দূর্যোগ নিয়ন্ত্রণ অফিস ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনকেদের কে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার ব্যবস্থা অব্যাহত রেখেছে।

ঘূর্ণিঝড় ফণির দূর্যোগ থেকে রক্ষার জন্য নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপকূলীয় আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে এখন স্থাননীয়রা রাত্রযাপন করছে। উপজেলার সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের রয়েছে বেশ তৎপরতা। তারা সারাদিন নাওয়া-খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে কাজ করছে উপকূলের মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে। এখনো পর্যন্ত বাঁশখালী উপকূলীয় অঞ্চলে তেমন কোন দূর্ঘটনার মতো কিছু ঘটেনি। গত শুক্রবার ৩ মে দিনের বেলায় সকাল ৯টার দিকে হালকা বাতাসসহ বৃষ্টিপাত হয়েছে। পরে আবার আকাশ পরিস্কার রুপ ধারণ করেছে। সন্ধ্যার পর পর আকাশ মেঘলা রুপ ধারণ করেছে। সমুদ্রে পানি আগের চেয়ে বেশী উঁচুতে এসেছে। এখনো তেমন কোন খারাফ পরিস্তিতির মতো কিছু ঘটেনি, তবে ধমকা হাওয়া বাতাস বয়ে যাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও জনসাধারণকে আশ্বস্থ করতে রাতেই ছুটে চলেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার। তিনি ঘুরে ঘুরে আশ্রয় প্রকল্প গুলো দেখছে এবং উপকূলীয় এলাকার লোকজনদেরকে আশ্বস্থ করেছে। বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের জনবল মাঠে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

আজ রাত ১০টার দিকে বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের ৫নং ওর্য়াডের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করার সময় উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার সহ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. হারুনুর রশিদ ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আরও উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ ( শনিবার, ৪ মে) ভোর নাগাদ ফণী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পৌঁছাতে পারে। তবে ভারতীয় আবহাওয়াবিদদের হিসাবে, ফণী বাংলাদেশের প্রবেশ করতে পারে শনিবার সন্ধ্যার দিকে। তখন বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার, যা ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। অর্থাৎ, তখন ফণী থাকবে ঘূর্ণিঝড়ের পর্যায়ে।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং নিকটবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। আর কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে আগের মতই ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

Sunday, April 21, 2019

অবহেলিত বাঁশখালী জনপদে কনফিডেন্স এইড আপনার স্বপ্ন পূরণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধঃ গাজী কাইছার

বহেলিত জনপদ বলা হয় আমাদের এ বাঁশখালীকে। জনপদে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে শিক্ষাব্যবস্থা। আমাদের চারপাশে যে সব স্কুল, মাদরাসা, কলেজ রয়েছে এগুলোর বার্ষিক ফলাফল খুবই হতাশাজনক। রেজাল্টের দিক দিয়ে অন্যন্য উপজেলার তুলনায় আমরা বরাবরেই পিছিয়ে। হাতেগুনা বেশ ক-টি প্রতিষ্টান তাদের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছেন। ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্টান গুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রাইমারি স্কুল, বঙ্গবন্ধু স্কুল, রঙ্গিয়াঘোনা মাদরাসা, চাম্বল স্কুল, খাদিজাতুল কোবরা মাদরাসা, বাংলাবাজার মাদরাসা, নাপোড়া স্কুল, আম্বিয়া খাতুন ক্যাডেট মাদরাসা, মাস্টার নজির আহমদ কলেজ, জলদি সরকারি গার্লসস হাই, আলাওল ডিগ্রী কলেজ, জলদি হাই স্কুল সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। তবে, এতে আমাদের শিক্ষার্থীরা আশানুরুপ ফলাফল অর্জন করতে পারেনা। কারণ হিসেবে ছাত্রের তুলানায় শিক্ষক সংকট, সঠিক পরিচর্যার অভাব।

তাছাড়া, পর্যাপ্ত ট্রেনিং প্রাপ্ত শিক্ষক না থাকার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সর্বদা পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষা দীক্ষায়। আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়ায় অকালে ঝরে পড়ছে মেধাবী শিক্ষার্থীরা। তাছাড়া ভালো শিক্ষকেরা ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের যথাযথভাবে পড়ান না বা পড়ানোর পরিবেশ পান না বলে লেখাপড়া টা আর স্কুলে হয়ে উঠেনা। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ক্লাসের আদর্শ অনুপাত হলো ০১ঃ৩০। কিন্তু এখন এ অনুপাত ১ঃ১৩০ এর মত বা এর চেয়ে বেশি। এই পরিস্থিতিতে আমরা যারা সচেতন আছি তারাও যদি এগিয়ে না আসি তবে জাতি আমাদের ক্ষমা করবেনা। এসব কথা মাথায় রেখে আমরা অভিভাবকদের মাথাব্যাথায় ওষুধ ঢালতে ও শিক্ষার্থীদের জন্য নার্সারিং করতে নিয়ে আসলাম "কনফিডেন্স এইড" নামের কোচিং সেন্টার। 

আপনারা বাচ্চা, ভাই বা বোন কে প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও ডিজিটাল ক্লাসের মাধ্যমে সঠিক রূপে মানুষ গড়তে চাইলে কনফিডেন্স এইড এর বিকল্প নাই। আসুন, দেখে যান কনফিডেন্স এইড সঠিক তথ্য নির্ভর ক্লাস গুলো। বাঁশখালীতে প্রথম আমরাই মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের ব্যবস্থা করেছি। কাজ করে যাবো সুন্দর একটি মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে। আদর্শ ছাত্রের অন্যতম ঠিকানা হিসেবে ধরে নিতে পারেন কনফিডেন্স এইড কে।

গাজী কাইছার বিপ্লব
শিক্ষক- কনফিডেন্স এইড
বিবিএ (অনার্স), এমবিএ (হিসাববিজ্ঞান)
স্পেশাল ট্রোনিং প্রাপ্ত ইংলিশ শিক্ষক, বিবিসি জানালা
মাল্টিমিডিয়া ক্লাস এর উপর সরকারি প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক।

Saturday, April 20, 2019

জানতে হলে পড়ুন! ২১৫টি বই ও এর লেখকের নাম


শিক্ষক নিয়োগ, বিসিএস পরিক্ষাসহ সরকারী, বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পরিক্ষায় আসতে এমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু বই ও লেখকের জন্য তুলে ধরা হল।

১। পুতুল নাচের ইতিকথা- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

২। জোছনা ও জননীর গল্প- হুমায়ুন আহমেদ

৩। পথের পাঁচালি- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

৪। লোটা কম্বল- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

৫। পদ্মা নদীর মাঝি- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

৬। একাত্তরের দিনগুলি- জাহানারা ইমাম

৭। দিবারাত্রির কাব্য- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

৮। কবি- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।

৯। আরন্যক- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১০। চরিত্রহীন - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১১। লালশালু- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

১২। অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১৩। শ্রীকান্ত -শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১৪। চোখের বালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১৫। গণদেবতা - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

১৬। আলালের ঘরের দুলাল- প্যারিচাঁদ মিত্র

১৭। হুতোম পেঁচার নকশা- কালী প্রসন্ন সিংহ

১৮। দৃষ্টিপ্রদীপ - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১৯। সূর্যদীঘল বাড়ি- আবু ইসহাক

২০। নিষিদ্ধ লোবান- সৈয়দ শামসুল হক

২১। জননী- শওকত ওসমান

২২। খোয়াবনামা - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

২৩। হাজার বছর ধরে- জহির রায়হান

২৪। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র - আলাউদ্দিন আল আজাদ

২৫। চিলেকোঠার সেপাই- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

২৬। সারেং বউ- শহীদুল্লাহ কায়সার

২৭। আরোগ্য নিকেতন- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

২৮। প্রদোষে প্রাকৃতজন - শওকত আলী

২৯। খেলেরাম খেলে যা- সৈয়দ শামসুল হক

৩০। রাইফেল রোটি আওরাত- আনোয়ার পাশা

৩১। গঙ্গা- সমরেশ বসু

৩২। শঙ্খনীল কারাগার- হুমায়ুন আহমেদ

৩৩। নন্দিত নরকে- হুমায়ুন আহমেদ

৩৪। দীপু নাম্বার টু- মুহম্মদ জাফর ইকবাল

৩৫। মা- আনিসুল হক

৩৬। আট কুঠরি নয় দরজা- সমরেশ মজুমদার

৩৭। কড়ি দিয়ে কিনলাম- বিমল মিত্র

৩৮। মধ্যাহ্ন- হুমায়ূন আহমেদ।

৩৯। উত্তরাধিকার- সমরেশ মজুমদার

৪০। কালবেলা- সমরেশ মজুমদার

৪১। কৃষ্ণকান্তের উইল- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

৪২। সাতকাহন- সমরেশ মজুমদার

৪৩। গর্ভধারিণী - সমরেশ মজুমদার

৪৪। পূর্ব-পশ্চিম- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

৪৫। প্রথম আলো- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

৪৬। চৌরঙ্গী - শঙ্কর

৪৭। নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি - শঙ্কর

৪৮। দূরবীন - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

৪৯। শুন বরনারী- সুবোধ ঘোষ।

৫০। পার্থিব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

৫১। সেই সময়- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

৫২। মানবজমিন - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

৫৩। তিথিডোর - বুদ্ধদেব বসু

৫৪। পাক সার জমিন সাদ বাদ- হুমায়ুন আজাদ

৫৫। ক্রীতদাসের হাসি- শওকত ওসমান

৫৬। শাপমোচন - ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

৫৭। মাধুকরী- বুদ্ধদেব গুহ

৫৮। দেশে বিদেশে- মুজতবা আলী

৫৯। আরেক ফাল্গুন - জহির রায়হান

৬০। কাশবনের কন্যা- শামসুদ্দিন আবুল কালাম

৬১। বরফ গলা নদী- জহির রায়হান

৬২। গাভী বৃত্তান্ত- আহমদ ছফা

৬৩। বিষবৃক্ষ - বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়

৬৪। দৃষ্টিপাত- যাযাবর

৬৫। তিতাস একটি নদীর নাম- অদৈত মল্লবর্মন

৬৬। কাঁদো নদী কাঁদো- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

৬৭। শিবরাম গল্পসমগ্র

৬৮। জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা - শহীদুল জহির

৬৯। আনন্দমঠ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

৭০। নিশি কুটুম্ব- মনোজ বসু।

৭১। একাত্তরের যীশু- শাহরিয়ার কবির

৭২। প্রজাপতি - সমরেশ বসু

৭৩। নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে - অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

৭৪। মাধুকরী - বুদ্ধদেব গুহ

৭৫। হুযুর কেবলা- আবুল মনসুর আহমেদ

৭৬। ওঙ্কার- আহমদ ছফা

৭৭। আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর- আবুল মনসুর আহমদ

৭৮। কত অজানারে- শঙ্কর

৭৯। ভোলগা থেকে গঙ্গা- রাহুল সাংকৃত্যায়ন

৮০। টেনিদা- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

৮১। বিষাদ সিন্ধু- মীর মোশাররফ হোসেন।

৮২। বিবর- সমরেশ বসু

৮৩। তারাশঙ্করের সব গল্প

৮৪। বুদ্ধদেব বসুর সব গল্প

৮৫। বনফুলের সব গল্প

৮৬। পরশুরামের সব গল্প

৮৭। কবর- মুনীর চৌধুরী

৮৮। কোথাও কেউ নেই- হুমায়ুন আহমেদ

৮৯। হিমু অমনিবাস - হুমায়ুন আহমেদ

৯০। মিসির আলী অমনিবাস- হুমায়ুন আহমেদ

৯১। আমার বন্ধু রাশেদ- মুহম্মদ জাফর ইকবাল

৯২। অসমাপ্ত আত্মজীবনী - জাতির জনক বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবর রহমান

৯৩। শঙ্কু সমগ্র- সত্যজিৎ রায়

৯৪। মাসুদ রানা- কাজী আনোয়ার হোসেন।

৯৫। ফেলুদা সমগ্র- সত্যজিৎ রায়

৯৬। তিন গোয়েন্দা- সেবা প্রকাশনী

৯৭। কিরীটী সমগ্র- নীহাররঞ্জন গুপ্ত

৯৮। কমলাকান্তের দপ্তর- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

৯৯। পথের দাবি- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১০০। গোরা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১০১। শবনম- মুজতবা আলী

১০২। নৌকাডুবি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১০৩। আদর্শ হিন্দু হোটেল- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১০৪। বহুব্রীহি - হুমায়ুন আহমেদ

১০৫। দেবদাস - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১০৬। মধ্যাহ্ন- হুমায়ুন আহমেদ

১০৭। বাদশাহ নামদার- হুমায়ুন আহমেদ

১০৮। বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার- মুহম্মদ জাফর ইকবাল

১০৯। হাসুলিবাকের উপকথা - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

১১০। গল্পগুচ্ছ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১১১। শেষ নমস্কার- সন্তোষ কুমার ঘোষ

১১২। হাঙ্গর নদী গ্রেনেড- সেলিনা হোসেন

১১৩। আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু- শহীদুল জহির

১১৪। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র

১১৫। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক

১১৬। কেয়া পাতার নৌকো- প্রফুল্ল রায়

১১৭।পুষ্প ও বিহঙ্গ পিরাণ- আহমদ ছফা

১১৮। আনোয়ারা- নজীবর রহমান

১১৯। চাপাডাঙ্গার বউ- তারাশঙ্খর বন্দ্যোপাধ্যায়

১২০। চাঁদের অমাবস্যা - সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ

১২১। কপালকুণ্ডলা - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১২২। প্রথম প্রতিশ্রুতি - আশাপূর্ণা দেবী

১২৩। মরুস্বর্গ- আবুল বাশার

১২৪। রাজাবলী - আবুল বাশার

১২৫। কালো বরফ- মাহমুদুল হক

১২৬। নিরাপদ তন্দ্রা- মাহমুদুল হক

১২৭। সোনার হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

১২৮। যদ্যপি আমার গুরু- আহমদ ছফা।

১২৯। মৃতুক্ষুধা- কাজী নজরুল ইসলাম

১৩০। প্রদোষে প্রাকৃতজন' - শওকত আলী।

১৩১। শেষের কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১৩২। লৌহকপাট -জরাসন্ধ(চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)

১৩৩। অন্তর্লীনা- নারায়ণ সান্যাল।

১৩৫। হাজার চুরাশির মা- মহাশ্বেতা দেবী

১৩৬। যাও পাখি -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

১৩৭।তবুও একদিন- সুমন্ত আসলাম।

১৩৮। অন্তর্জলী যাত্রা- কমলকুমার মজুমদার

১৩৯। ব্যোমকেশ সমগ্র- শরদিন্দু

১৪০। অন্য দিন- হুমায়ূন আহমেদ

১৪১। কালপুরুষ- সমরেশ মজুমদার

১৪২। মেমসাহেব - নিমাই ভট্টাচার্য

১৪৩। বিন্দুর ছেলে- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১৪৪। নামগন্ধ - মলয় রায় চৌধুরী

১৪৫। মতিচূর - বেগম রোকেয়া

১৪৬। সুলতানার স্বপ্ন- বেগম রোকেয়া

১৪৭। চাঁদের পাহাড়- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১৪৮। অপুর সংসার- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৪৯। কারুবাসনা - জীবনানন্দ দাশ

১৫০। বেনের মেয়ে- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

১৫১। আবদুল্লাহ - কাজী ইমদাদুল হক

১৫২। সূবর্ণলতা- আশাপূর্ণা দেবী

১৫৩। ঢোঁড়াই চরিত মানস- সতিনাথ ভাদুরী

১৫৪। উপনিবেশ - নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

১৫৫। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র

১৫৬। পদ্মার পলিদ্বীপ - আবু ইসহাক

১৫৭। নারী- হুমায়ুন আজাদ

১৫৮। বিত্ত বাসনা- শংকর

১৫৯। সংশপ্তক- শহিদুল্লা কায়সার

১৬০! জীবন আমার বোন- মাহমুদুল হক

১৬১।ক্রাচের কর্নেল- শাহাদুজ্জামান

১৬২।১৯৭১- হুমায়ূন আহমেদ

১৬৩।দেয়াল- হুমায়ূন আহমেদ

১৬৪।পরিনীতা- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১৬৫।উত্তম পুরুষ-রশীদ করীম

১৬৬।ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা- শিবরাম চক্রবর্তী

১৬৭।শতকিয়া-সুবোধ ঘোষ

১৬৮। তিস্তাপারের বৃত্তান্ত- দেবেশ রায়

১৬৯। নীল দংশন - সৈয়দ শামসুল হক

১৭০। কুকুর সম্পর্কে দু একটি কথা যা আমি জানি- সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়

১৭১। অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী- আহমদ ছফা

১৭২। ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - হুমায়ুন আজাদ

১৭৩। শুভব্রত ও তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ -হুমায়ুন আজাদ

১৭৪। ১০,০০০, এবং আরো একটি ধর্ষণ - হুমায়ুন আজাদ

১৭৫। নভেরা- হাসনাত আবদুল হাই

১৭৬। দুচাকার দুনিয়া- বিমল মুখার্জী

১৭৭। চাকা- সেলিম আল দীন

১৭৮। হার্বাট- নবারুণ ভট্টাচার্য

১৭৯। নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

১৮০। ন হন্যতে - মৈত্রেয়ী দেবী।

১৮১। কেরী সাহেবের মুন্সী- প্রমথনাথ বিশী

১৮২। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক

১৮৩। পঞ্চম পুরুষ- বাণি বসু

১৮৫। অলীক মানুষ- সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ

১৮৬। আমি বীরাঙ্গনা বলছি- নীলিমা ইব্রাহিম

১৮৭। পুত্র পিতাকে - চানক্য সেন

১৮৮। দোজখনামা- রবি শংকর বল

১৮৮। মাতাল হাওয়া- হুমায়ূন আহমেদ

১৮৯।বিষাদবৃক্ষ - মিহিরসেন গুপ্ত

১৯০। অলৌকিক নয়,লৌকিক - প্রবীর ঘোষ

১৯১। সৃষ্টি রহস্য - আরজ আলী মাতুব্বর।

১৯২। ফালি ফালি ক'রে কাটা চাঁদ - হুমায়ুন আজাদ

১৯৩। নিমন্ত্রণ - তসলিমা নাসরিন

১৯৪। বসুধারা- তিলোত্তমা মজুমদার

১৯৫।উপকণ্ঠ - গজেন্দ্র কুমার মিত্র

১৯৬। অসাধু সিন্ধার্থ- জগদীশ গুপ্ত

১৯৭। কুহেলিকা- কাজী নজরুল ইসলাম

১৯৮। সৃষ্টি ও বিজ্ঞান - পূরবী বসু

১৯৯। ঈশ্বরের বাগান- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

২০০। আয়না- আবুল মনসুর আহমদ

২০১। ক্রান্তিকাল- প্রফুল্ল রায়

২০২। কেয়া পাতার নৌকা- প্রফুল্ল রায়

২০৩। গেরিলা থেকে সম্মুখ যুদ্ধে - মাহবুব আলম

২০৪। একাত্তরের ডায়েরী- বেগম সুফিয়া কামাল

২০৫। রাজাকারের মন (১ম ও ২য় খন্ড) - মুনতাসীর মামুন

২০৬। ভিনকোয়েস্ট জেনারেল - মুনতাসীর মামুন

২০৭। যাপিত জীবন - সেলিনা হোসেন

২০৮।খেলারাম খেলে যা-সৈয়দ শামসুল হক

২০৯। সোনালী হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

২১০। চতুষ্পাঠী- স্বপ্নময় চক্রবর্তী।

২১১। কালকূট - সতীনাথ ভাদুড়ী।

২১২। অরণ্যের দিনরাত্রি - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

২১৩। দেবী - হুমায়ূন আহমেদ

২১৪। ন হন্যতে- মৈত্রেয়ী দেবী

২১৫। ঢোঁড়াই চরিতমানস- সতীনাথ ভাদুড়ী।

-কনফিডেন্স এইড

২৬ এপ্রিল কনফিডেন্স এইডে উদ্বোধনী ক্লাস! কনফিডেন্স এইড


প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা,
আশা করি ভালই আছ। চলছে এপ্রিল মাস। সামনে স্কুল/মাদরাসায় থাকবে লম্বা একটা বন্ধ। স্কুল বন্ধ থাকলে কি লেখাপড়া হয়? হয়না। তোমরা ইতোমধ্যে শুনে থাকবে "কনফিডেন্স এইড" নামের একটি কোচিং সেন্টার উদ্বোধন হতে যাচ্ছে শ্রীঘ্রই৷ এতে রয়েছে সরকারি ট্রেনিং প্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক। নিবিড় পর্যবেক্ষেণে সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের মাধ্যমে একমাত্র ক্লাস নিবে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা।

আগামী ২৬ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, শুক্রবার 'কনফিডেন্স এইড'এ উদ্বোধনী ক্লাস হতে যাচ্ছে। ফ্রি ক্লাসটা করার জন্য তোমাকে জানাচ্ছি আমন্ত্রণ।

শুভেচ্ছান্তে-
পরিচালক
কনফিডেন্স এইড
০১৮১৩৯২২৪২৮
০১৮২১৭০৭৪২৪
০১৮৮৫৯৬৩৯৩৩

উদ্ভোধনী ক্লাসঃ সকাল ৭টা থেকে ১২টা পর্যন্ত।
বিষয়- ইংরেজি, গণিত, হিসাববিজ্ঞান, রসায়ন/পদার্থ....

স্থানঃ বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পার্শ্বে মরহুম হাজী রশিদ আহমদ তালুকদারের বাড়ী

আদর্শ শিক্ষকের সম্মান আকাশচুম্বি|| কনফিডেন্স এইড

কজন শিক্ষক একজন কারিগর। মানুষ ও সভ্যতার কারিগর। শিক্ষক পৃথিবীর সর্বজন সম্মানীত ব্যক্তি। হাজার দিন গভীর অধ্যয়নের চেয়ে একদিন শিক্ষকের সাহচার্য উত্তম—জাপানি এই প্রবাদ বিশ্লেষণ করলে আমরা শিক্ষকদের মর্যাদা ও গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারি। এ কারণেই গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল বলেছিলেন, "যারা শিশুদের শিক্ষাদানে ব্রতী তারা অভিভাবকদের থেকেও অধিক সম্মানীয়।"

পিতা-মাতা আমাদের জীবনদান করেন ঠিকই। শিক্ষকরা সেই জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন। সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী লুনাচারস্কি বলেছিলেন, শিক্ষক হলেন এমন এক ব্যক্তি যিনি নতুন প্রজন্মের কাছে যুগ-যুগান্তরে সঞ্চিত যাবতীয় মূল্যবান সাফল্য হস্তান্তরিত করবেন, কিন্তু কুসংস্কার, দোষ ও অশুভকে ওদের হাতে তুলে দেবেন না। এটাই হলো শিক্ষকদের গুরুত্বের মাপকাঠি। মনে রাখা প্রয়োজন, শুধু তাদের দিয়েই আমরা সুস্থ কুঁড়িগুলোকে লালন করতে পারি। আলোর পথে এগিয়ে দিতে পারি।

আমেরিকার ইতিহাসবিদ হেনরি এডামস শিক্ষকের গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছেন- "একজন শিক্ষক সামগ্রিকভাবে প্রভাব ফেলেন, কেউ বলতে পারে না তার প্রভাব কোথায় গিয়ে শেষ হয়।" দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল এ বিষয়ে বলেছেন, "শিক্ষক সমাজ হচ্ছেন প্রকৃতই সমাজ ও সভ্যতার বিবেক। তাই তো শিক্ষকদের বলা হয় ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ার’ তথা সমাজ নির্মাণের স্থপতি।" সমাজের সার্বিক অগ্রগমনের ক্ষেত্রে শিক্ষা ও শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা সুষ্ঠু সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এমন এক মৌল উপাদান যেটি যে সমাজে যত বেশি প্রবেশ করেছে সেই সমাজে তত বেশি উন্নয়ন ও কল্যাণ সাধিত হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে শিক্ষক হচ্ছেন পথ-নির্দেশক। কিন্তু সেই শিক্ষক সমাজ নানা কারণে দেশে দেশে যথাযথভাবে তাদের মর্যাদা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে যা মানবজাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার বিষয়।

এ জন্য ইউনেস্কো ১৯৬৬ সালের ৫ অক্টোবর প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্তঃসরকার সম্মেলনে শিক্ষকদের অবস্থান ও মর্যাদা সংক্রান্ত এক দীর্ঘ সুপারিশমালা পেশ করে যা সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এতে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। একে এমন একটি জনসেবামূলক পেশা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে যার পেছনে আছে বিশেষজ্ঞসুলভ জ্ঞান ও বিদ্যা এবং বিশিষ্ট দক্ষতা, যে জ্ঞান ও দক্ষতা দীর্ঘ শ্রম ও নিরবচ্ছিন্ন অভিনিবেশের ফলেই আয়ত্ত সম্ভব। এই সুপারিশমালায় শিক্ষকদের বেতন ও সুবিধাদি, চাকরিবিধি, কর্মঘণ্টা ও ছুটি, শিক্ষক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, শিক্ষানীতি নির্ণয়, শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলাবিধি প্রয়োগ, সামাজিক নিরাপত্তা, পেশাগত স্বাধীনতা ও অধিকারসহ শিক্ষককে যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে।

বিশ্বে প্রথমবারের মতো এই সুপারিশমালাতে শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই সব দেশের শিক্ষকের জন্য এই সুপারিশমালা একটি মৌলিক সনদ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। ১৯৯৩ সালে ইউনেস্কো সুপারিশমালা গৃহীত হওয়ার এ দিনটিকে শিক্ষক দিবস হিসেবে বিশ্বের সর্বত্র উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যার ফলশ্রুতিতে এর পরের বছর থেকেই বিশ্বব্যাপী এ দিনটিকে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ইউনেস্কোর সদস্যভুক্ত শতাধিক দেশ প্রতি বছর এ দিবসটি পালন করে থাকে, যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য অ্যাডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল এবং এর চারশ একটি সদস্য সংগঠন মূল ভূমিকা রাখে।

দিবসটি পালনের মাধ্যমে শিক্ষক সমাজের মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণকে সচেতন করার প্রয়াস চালানো হয়। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, এ দেশে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ১০ লক্ষাধিক শিক্ষক কর্মরত থাকলেও এখানে যথাযথ মর্যাদায় সর্বান্তকরণে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয় না; অথচ শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি এক প্লাটফর্ম।
শিক্ষক হচ্ছেন শিক্ষাব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। শিক্ষকতা কেবল চাকরি নয়, এটি একটি মহান পেশা। সমাজ গঠনে, দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতির উন্নয়নে, সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে একজন আদর্শ শিক্ষকের অবদান অনস্বীকার্য। মেধা, প্রজ্ঞা ও জ্ঞান-দক্ষতায় পরিপূর্ণ শিক্ষক হচ্ছেন দেশ ও জাতির অমূল্য মানবসম্পদ। জাতির বুনিয়াদ গঠনে ও জাতীয় ঐতিহ্য-লালনে শিক্ষকের ভূমিকা যে কোনো পেশাজীবীর চেয়ে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য তাদের দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষের অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সঙ্গত কারণে তাদের কাছে জাতির প্রত্যাশা অনেক। এ জন্য শিক্ষককে নিজ পেশার প্রতি নিবেদিত প্রাণ হতে হয়। একজন শিক্ষক সব সময়ের জন্যই শিক্ষক। তার কর্মক্ষেত্র কেবল শ্রেণিকক্ষেই ব্যাপ্ত নয়; সর্বত্র। একজন ছাত্র শিক্ষককে দেখে শিখবে, তার বক্তব্য শুনে শিখবে, তার আচার-আচরণ লক্ষ্য করে শিখবে। তাই শিক্ষকদের ন্যায়-নীতিবান মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন আদর্শ মানুষ হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়। একজন শিক্ষককে তার পেশার উন্নয়নের স্বার্থে প্রতিনিয়ত নব নব জ্ঞান ও কৌশলের সন্ধানে নিরলস প্রচেষ্টায় নিজেকে নিরত রাখতে হয় এবং পেশাগত মূল্যবোধ, আত্মপ্রত্যয় ও বোধগম্যতার সমন্বয় ঘটিয়ে শ্রেণি-পাঠদান সার্থক করতে হয়।

এটা তখনই সম্ভব হয় যখন শিক্ষক নিজ পেশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল, দায়িত্বশীল হন। ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ লেনিন বলেছেন, সমাজ পরিবর্তনের পূর্বশর্ত মানুষের পরিবর্তন। সেই পরিবর্তনের অভিভাবকত্ব শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব। এখন প্রশ্ন হলো আমাদের দেশের শিক্ষক সমাজ সেই পেশাগত দায়িত্ব কতটুকু পালন করেন? পেশার প্রতি কতটুকু শ্রদ্ধা পোষণ করেন কিংবা দায়িত্বশীল? পাশাপাশি এই প্রশ্নও চলে আসে, শিক্ষকদের নিজ পেশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও দায়িত্ববান হতে পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও পরিবেশ কতটুকু সহায়ক? শিক্ষকগণ তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা পান কতটুকু? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরের মধ্যেই এ দেশের শিক্ষার প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠে।

বাংলাদেশে শিক্ষক সমাজ ন্যায্য সুযোগসুবিধা তেমন পায়না। তাদেরও আজকাল দাবী আদায়ের জন্য রাজপথে অান্দোলন করতে হয়। চাকরীর সামান্য আয় দিয়ে কোন রকম সংসার চলে মানুষ গড়ার কারিগরের। এদের সম্মান আকাশ চুম্বি। কাজী কাদের নেওয়াজের শিক্ষাগুরুর মার্যাদাই ইঙ্গিত প্রদান করে শিক্ষকের সম্মান কত উঁচুতে। আজকাল আবার আদর্শ শিক্ষকের বড়ই অভাব। শিক্ষক এখন একটা কর্মাশিয়াল বিষয় অনেকের কাছে। তারপরও আদর্শ শিক্ষকের বিকল্প নাই।

-রানা
শিক্ষক- কনফিডেন্স এইড
ইমেইলঃ confidenceaid2019@gmail.com